শিরোনামঃ
বঙ্গবন্ধুর বাঙালি জাতীয়তাবাদের সীমানা ইতিহাসের কলঙ্কজনক অধ্যায় ১৫ আগস্টে জহিরুল আলম জসিমের শ্রদ্ধাঞ্জলি ইতিহাসের কলঙ্কজনক অধ্যায় ১৫ আগস্টে আহমেদ ফিরোজের শ্রদ্ধাঞ্জলি জাতির পিতাকে সপরিবারে নির্মমভাবে হত্যাকাণ্ডের পরে, বাঙালি জাতিকে পৃথিবীর আর কেউ বিশ্বাস করত না: এফ এম এইচ আলী গ্রিসের সঙ্গে দ্বন্দ্ব মীমাংসার একমাত্র উপায় আলোচনা: তুরস্ক বঙ্গবন্ধুর সংগ্রাম ও আত্মত্যাগ বিশ্ব আজও স্মরণ করে ইসরাইল যাচ্ছেন আরব আমিরাতের যুবরাজ! জিয়া মার্শাল ল’ জারির মাধ্যমে গণতন্ত্রকে হত্যা করে আমিরাতের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করার হুমকি তুরস্কের বঙ্গবন্ধুসহ ১৫আগষ্টের সকল শহীদের প্রতি বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক রসায়নবিদ ডক্টর জাফর ইকবালের শ্রদ্ধাঞ্জলি

প্রায় এক দশক ধরে হান্নানের প্রতারনার শিকার শত শত মানুষ


নিজস্ব প্রতিবেদক:

প্রায় এক দশক ধরে শত শত মানুষের কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েও এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছে সিরাজগঞ্জের সলঙ্গা থানার ঘুড়কা ইউনিয়নের লাঙ্গলমোড়া গ্রামের আব্দুল হান্নান মন্ডল। হান্নান ঐ গ্রামের মৃত জব্বার মন্ডলের পুত্র। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা হলেও আইন শৃংখলা বাহিনী কেনো তাকে আটক করতে পারছে না,তা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

যমুনা বার্তা’র অনুসন্ধানে উঠে এসেছে আব্দুল হান্নানের প্রতারনা অনেক তথ্য। জানা যায়,পূর্ব পরিচয়ের সুত্র ধরে উল্লাপাড়ার এক ইট ভাটার মালিকের সখ্যতা গড়ে তোলে হান্নান। পরে তাকে জানায়,তার চাচা শ্বশুর সেনাবাহিনীর বড় কর্মকর্তা। তার চাচা শ্বশুরের তিন জাহাজ কয়লা বাঘাবাড়ি ঘাটে আসছে। তার কথায় বিশ্বাস করে উল্লাপাড়ার ইট ভাটার মালিক ও শাহজাদপুরের তালগাছির অন্য এক ইটভাটার মালিক ২০১৮ সালের প্রথম দিকে ৩৩০ টন কয়লার জন্য হান্নানকে ৪ কিস্তিতে ৩৩ লক্ষ টাকা প্রদান করে। কিন্তু সময়মত কয়লা না পাওয়ায় দুই ভাটা মালিক হান্নানকে চাপ দিলে সে ধানগড়া সোনালী ব্যাংক শাখার অনুকুলে ২৬ লাখ টাকার ৪টি চেক প্রদান করে। এর মধ্যে ৩৪০৪২৪১৮ হিসাব নাম্বারে এক লক্ষ টাকা,যার চেক নং ৩৫১০৯৯১, ৩৪০৪২৪১৭ হিসাব নাম্বারে তিন লক্ষ টাকা,যার চেক নং ৩৫১০৯৯২, ৩৪০৮২৪১৭ হিসাব নাম্বারের ৪ লক্ষ টাকা, যার চেক নং ৩৫১০৯৯৩, ৩৪০৪৩৪১৯ হিসাব নাম্বারে ১৮ লক্ষ টাকা,যার চেক নং ৩৫১০৯৯৪। কিন্তু দুই ভাটা মালিক ব্যাংকে টাকা তুলতে গিয়ে জানতে পারেন তাদের সাথে চরমভাবে প্রতারনা করা হয়েছে। এক লক্ষ টাকার যে চেকটি দেয়া হয়েছে সেই হিসাব নাম্বারটি সঠিক বাকী সকল হিসাব নাম্বার ইচ্ছে করে ভুল দেয়া হয়েছে। পাশ বহিতে হিসাব নাম্বারগুলি ব্যাংকের কর্মকর্তাদের লিখে দেয়ার কথা,কিন্তু একই পাশ বই থেকে কিভাবে ৪টি হিসাব নাম্বার হলো তার কোন সদুত্তর ব্যাংক কর্মকর্তারা দিতে পারেনি। তবে তারা স্বীকার করেন,এর সাথে ব্যাংকের কোন কর্মকর্তারা জড়িত থাকতে পারেন। পরবর্তীতে শাহজাদপুরের ইট ভাটার মালিক শাহজাদপুর আদালতে আব্দুল হান্নানের বিরুদ্ধে চেক প্রতারনার মামলা করেন। মামলায় চলতি বছরের মার্চ মাসের প্রথম সপ্তাহে হান্নানের বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট জারী করা হলেও পুলিশ এখনো তাকে গ্রেফতার করতে পারেনি। তবে এই মামলায় রায় অচিরেই ঘোষনা হবে বলে জানা গেছে।


অনুসন্ধানে আরো জানা যায়, আব্দুল হান্নান বিয়ে করেন পাবনার ঈশ্বরদীর জয়নগর গ্রামে বাচ্চু মন্ডল নামে এক চাল ব্যাবসায়ীর মেয়েকে। বাচ্চু মন্ডল বিয়ে করে কুষ্টিয়া আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় যুগ্ন সাধারন সম্পাদক মাহবুবুল হক হানিফ এমপির এক দুর আত্মিয়কে। ২০০৯ সালে আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় আসার পর মাহবুবুল হক হানিফ প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী হিসেবে দ্বায়িত্ব পায়। সেই থেকে ভাগ্য খুলে যায় আব্দুল হান্নানের। সে বিভিন্ন জায়গায় মাহবুবুল হক হানিফের ভাগ্নি জামাই পরিচয় দিয়ে নিয়োগ,বদলীসহ নানা অপকর্ম শুরু করে।

সেই সময় তাকে প্রায়ই সিরাজগঞ্জ পুলিশ সুপার ও জেলা প্রশাসকের রুমে দেখা যেতো। পরবর্তীতে তার গ্রামের বাড়ি লাঙ্গলমোড়াতেও জেলা প্রশাসক,পুলিশ সুপারসহ উধ্বর্তন অনেক কর্মকর্তাকে যাতায়াত করতে দেখা যেতো। পরবর্তীতে জেলা পুলিশের কনষ্টেবল নিয়োগে আব্দুল হান্নানের মাধ্যমে এলাকায় কয়েক জনের চাকুরী হয়।

সেই সুত্র ধরে চান্দাইকোনা কলেজের শিক্ষক ও হান্নানের বন্ধু আব্দুস সবুর বিপ্লব তার এক আত্মিয় ও কলেজের এক সহকর্মীর ছেলের কনষ্টেবল পদে চাকরীর জন্য ২০১১ সালে হান্নানকে ১৪ লক্ষ টাকা প্রদান করে। কিন্তু চাকরী না হওয়ায় টাকা ফেরত চাইলে নানা তালবাহানা শুরু করে। পরে হান্নান চার লাখ টাকার ঢাকা ব্যাংকের একটি চেক প্রদান করেন, চেক নং ৩০৪৬০৫০। বাকী ১০ লক্ষ টাকা এক মাস পরে দিবেন বলে ওয়াদা করেন।

কিন্তু ব্যাংকে গিয়ে দেখেন হান্নানের হিসাবে কোন টাকা নেই। পরে হান্নানকে ধরলে সে বলে কদিন পর সব টাকা দিয়ে দিবে। কিন্তু প্রায় ১০ বছর অতিবাহিত হতে চললেও আজও টাকা ফেরত পায়নি বিপ্লব ও তার সহকর্মী। আব্দুস সবুর বিপ্লব বলেন, হান্নান মহা প্রতারক তাকে বিশ্বাস করে চরম ভুল করেছেন। তার সহকর্মী ঋন করে টাকা দিয়েছিলেন,কিন্তু দীর্ঘদিনের টাকা ফেরত না পাওয়ায় সুদ দিতে দিতে সে অসুস্থ হয়ে পড়েছে। এ বিষয়ে চলতি বছরের মার্চ মাসে রায়গঞ্জ থানায় হান্নানের প্রতারনার বিষয়ে মামলা করেন। কিন্তু এখনো পর্যন্ত পুলিশ হান্নানকে আটক করতে পারেনি। মামলাটি সিআইডিতে স্থানান্তর করা হয়েছে বলে জানা গেছে।


নিমগাছি ভাটারপাড়া গ্রামের স্কুল শিক্ষক ও আদিবাসী নেতা সুশিল কুমার মাহাতোর সাথে বন্ধুত্বের সুত্র ধরে ২০১১ সালে সুশিলের আত্মিয় স্বজন ৫ জনের কাছ থেকে কনষ্টেবল ও প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের জন্য প্রায় ২৩ লক্ষ টাকা নেয়। কিন্তু চাকরী দিতে না পারায় টাকা ফেরত চাইলে হান্নান লাপাত্তা হয়ে যায়। হান্নানের বাড়িতে বিভিন্ন সময় ধর্না দিয়েও তার দেখা পায়নি ও সুশিল ও চাকরী প্রার্থিরা। সুশিল মাহাতো জানান, হান্নান তার বোন জামাই সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান জুড়ান আলী ও ও বোন লিলি বেগম মিলে মানুষের কোটি কোটি টাকা আত্মসাত করেছে। এ ব্যাপারে সুশিল কুমার মাহাতো বাদী হয়ে চলতি বছরের ৪ মার্চ রায়গঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেছেন। পরে মামলাটি সিআইডিতে স্থানান্তর করা হয়। সিআইডির তদন্তকারী কর্মকর্তরা এ বিষয়ে তদন্ত করে প্রাথমিক ভাবে অভিযোগের সত্যতা পেয়েছেন। তবে এখনো পর্যন্ত তারা হান্নানকে গ্রেফতার করতে পারেনি।

সুশিল কুমার মাহাতো আরো জানান ,ঢাকার রিজেন্ট হাসপাতালের মালিক শাহেদের মতো হান্নানও নানা কায়দায় মানুষের সাথে প্রতারনা করে কোটি কোটি টাকা আত্মসাত করেছে। তিনি এ বিষয়ে র‌্যাবের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
সিরাজগঞ্জ সলঙ্গার হাটিকুমরুল এলাকার ব্যবসায়ী আবুল কাশেম তার ভায়ের চাকরীর জন্য ২০১২ সালে হান্নানকে ৭ লাখ টাকা প্রদান করে। কিন্তু চাকরী না হওয়ায় টাকা ফেরত দিতে নানা তালবাহানা শুরু করে। পরে একদিন নলকা মোড়ে হান্নানকে ধরে গনপিটুনি দিয়ে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আবু বকর সিদ্দীকের কাছে জমা দেয়া হয়।

পরে তিন লাখ টাকা দিলেও বাকী ৪ লাখ টাকার জন্য বিভিন্ন সময় হান্নানের বাড়িতে গিয়ে টাকা না পেয়ে ফিরে এসেছে। মার্চ মাসের প্রথম সপ্তাহে আবুল কাশেম এ বিষয়ে সলঙ্গা থানায় মামলা করেছেন বলে জানা গেছে। কিন্তু হান্নানকে ধরার বিষয়ে পুলিশের তেমন কোন তৎপরতা নেই বলে কাশেম অভিযোগ করেন।
এসব বিষয়ে সিরাজগঞ্জ সিআইডির তদন্তকারী কর্মকর্তা উপ পরিদর্শক তোফাজ্জল হোসেন জানান,হান্নান অনেক ধুর্ত একজন ব্যাক্তি। তাকে ধরার জন্য আমরা মাঝে মাঝে অভিযান চালাচ্ছি। অচিরের তাকে গ্রেফতার করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।


এলাকাবাসী জানায়, এর আগে মেহেদী হাসান নামে এক পুলিশ কর্মকর্তার নিকট থেকে ১৩ লাখ টাকা নিয়েছিলো,কিন্তু টাকা ফেরত না দেয়ায় পরে তাকে বাড়ি থেকে পুলিশ দিয়ে ধরে থানায় এনে টাকা আদায় করা হয়। এছাড়া সিরাজগঞ্জের পাশ্ববর্তী জেলার এক থানার অফিসার ইনচার্জের নিকট থেকে চাকরী দেয়ার নাম করে প্রায় ২৫ লাখ টাকা,সলঙ্গা থানার সাবেক এক এসআই এর নিকট থেকে সাড়ে ১৩ লাখ টাকা নিয়েছে। কিন্তু দীর্ঘদিন অতিবাহিত হলেও সেই টাকা তারা ফেরত পাচ্ছে না।


২০১৮ সালে রায়গঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের এক শীর্ষস্থানীয় নেতা তার আত্মিয়ের স্বাস্থ্য বিভাগের চাকরীর জন্য হান্নানকে সাড়ে ৮ লাখ টাকা প্রদান করেন। কিন্তু চাকরী না হওয়ায় সেই টাকা আজ পর্যন্ত ফেরত পাননি। রায়গঞ্জের এক ইউপি চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামীলীগের প্রভাবশালী নেতাও তার মেয়ের চাকরীর জন্য ৮লাখ টাকা দিয়েছিলেন। কিন্তু চাকুরীও হয়নি,টাকাটাও এখনো পর্যন্ত ফেরত পায়নি। ৫ বছর পুর্বে হান্নান তার আপন চাচতো ভাই চান্দাইকোনা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি সাইফুল ইসলামের মেয়ে ও মেয়ের জামাইকে হজ্বে পাঠানোর কথা বলে ৭লাখ টাকা গ্রহন করে। কিন্তু এখনো পর্যন্ত হজ্বেও পাঠায়নি,টাকাও ফেরত দেয়নি।


সাইফুল ইসলাম জানান, হান্নান শুধু বাহিরের মানুষদের সাথে প্রতারনা করেনি। নিজেদের আত্মিয়-স্বজনের সাথেও প্রতারনা করেছে। তার কারনে মেয়ের জামাই এর কাছে ছোট হয়ে গেছি।


গত কোরবানীর ঈদে উল্লাপাড়ার এক মহিলার কাছ থেকে কোরবানীর জন্য বাকীতে গরু কেনেন হান্নান,কিন্তু প্রায় এক বছর অতিবাহিত হলেও সেই মহিলা এখনো অধিকাংশ টাকা বুঝে পায়নি।

সিরাজগঞ্জের বিভিন্ন মাছ ব্যবসায়ীর নিটক থেকে বাকীতে লাখ লাখ টাকার মাছ নিলেও তারা টাকা না পাওয়ায় হান্নানকে খুঁজে বেড়াচ্ছে।

শাহজাদপুরের জাতীয় পার্টির নেতা মোক্তার হোসেনের কাছ থেকে ২০১৪ সালের ২৮ অক্টোবর চাউল ব্যাবসার জন্য আব্দুল হান্নান এক কোটি ১৭ লক্ষ টাকা গ্রহন করেন এবং তার বিপরিতে রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক ঘুরকা শাখার সঞ্চয়ী হিসাব নং ১০৪০/১৩ এর মাধ্যমে ৪৬২০৫৬০ নং চেক প্রদান করে। পরবর্তীতে টাকা প্রদান না করায় আদালতে মামলা করেন মোক্তার হোসেন। মামলাটি বর্তমানে বিচারের শেষ পর্যায়ে রয়েছে বলে জানা গেছে।

এছাড়া পবিত্র হজ্বে পাঠানোর কথা বলে,তত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে সেনাবাহিনীতে চাকুরী দেয়ার কথা বলেও প্রায় অর্ধশত মানুষের কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে আব্দুল হান্নান। সে বিভিন্ন সময় মাহবুবুল হানিফের ভগ্নি জামাই, রায়গঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের সদস্য, ঘুরকা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি,জেলা বাস মিনিবাস মালিক সমিতি,ট্রাক ও ট্যাংক লরী মালিক গ্রুপের সদস্য পরিচয় দিয়ে থাকেন। তবে এসব সংগঠনের নেবৃবৃন্দ বলেছেন প্রতারক হান্নান তাদের সংগঠনের সাথে জড়িত নয়। রায়গঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল হাদী আলমাজী জিন্না জানান, হান্নান বড় ধরনের প্রতারক,তার বিরুদ্ধে অনেক অভিযোগ রয়েছে তবে সে উপজেলা আওয়ামীলীগের ও বাস মালিক সমিতির সদস্য না।

সলঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ তাজুল হুদা জানান,আব্দুল হান্নান অনেক মানুষের সাথে প্রতারনা করেছে,আমাদের কাছে এ বিষয়ে একাধিক অভিযোগ রয়েছে। পুলিশ তাকে খুজছে,অল্প সময়ের মধ্যে তাকে আটক করা হবে বলে তিনি বলেন।

জানা যায়, ২০১৪ সালের ২৭ নভেম্বর সলঙ্গা থানা পুলিশের হাতে ইতোপুর্বে সে আটক হয়ে বেশ কিছুদিন জেল হাজতে ছিলো। জেল থেকে বের হয়ে সে আবার প্রতারনা শুরু করে। তার বিরুদ্ধে সলঙ্গা থানায় সেই সময় ৫টি মামলা ছিলো।

করোনা মহামারীর পুর্বে হান্নান তার নিজ গ্রামে ওয়াজ মাহফিলের আয়োজন করে। মাহফিলে মিজানুর রহমান আজাহারী ওয়াজ করবেন বলে মাইকিং সহ নানা প্রচারনা চালান। মাহফিলে হাজার হাজার মানুষের সমাগম হয়। কিন্তু আজাহারী না আসায় বিক্ষুব্ধ জনতা মঞ্চ,চেয়ার, টেবিল ভাংচুর করে ও হান্নানের বাড়িতে হামলা চালায়। অবশ্য এর আগেই হান্নান গা ঢাকা দেয়। ছবি সহ

পুরাতন বার্তা…

শুক্র শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০৩১  
© All rights reserved | Jamunar Barta

Desing & Developed BY লিমন কবির