সলঙ্গার ধুবিলে জনবিচ্ছিন্ন নেতা রাসেল নৌকা প্রতীক পেলে ভরাডুবির আশংকা নেতাকর্মীদের

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি:
আসন্ন সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার সলঙ্গা থানার ধুবিল ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে মিজানুর রহমান রাসেল নৌকা প্রতীক পেলে ভরাডুবির আশংকা করছে ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ ও সহযোগী অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মিরা। ধুবিল ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের শতাধিক নেতাকর্মীরা জানিয়েছেন,মিজানুর রহমান রাসেল পরিবারসহ ঢাকায় বসবাস করেন। মাসেও খোজ নিতে আসে না। জনগণ কোথায় গিয়ে সেবা পাবে?। আর পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন দলের সাথে জড়িত। জামায়াত,শিবির,বিএনপিসহ বাদ দেয়নি হিজবুত তাওহীদের মত দলও। একাধিক নেতারা জানান,রাসেলের মত একজন জনবিচ্ছিন্ন নেতাকে নৌকা প্রতীক দিলে কখনো সে নৌকা জয় লাভ করতে পারবে না। ধুবিলে বিএনপির সাবেক এমপি আব্দুল মান্নান তালুকদারের নিজ এলাকা বলা চলে বিএনপির ঘাটি। ধুবিল ইউনিয়নে যদি আওয়ামীলীগের যোগ্য প্রার্থীর হাতে নৌকা দিতে হবে তা না হলে নৌকার ভরাডুবি হবে।

মিজানুর রহমান রাসেল সলঙ্গা কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি পদে না থেকেও প্রচারনার ব্যানারেও সাবেক সভাপতি পদ ব্যবহারের অভিযোগ করেছেন নেতারা। নির্বাচনকে সামনে রেখে মাসে দুই এক দিন ছুটি নিয়ে শুক্রবারে এলাকায় থাকার কারনে অনেকে তাকে শুক্রবার নেতা বলেও বলাবলি করেন। তার আপন ভাই ব্যারিষ্টার রেজাউল করিম সোহেল হিজবুত তাওহীদ সাথে সরাসরি জড়িত। তিনি লন্ডনে পড়া লেখার সময় হিজবুত তাওহীদের রাজনীতির সাথে জড়িত হয়েছিলেন বলে জানা গেছে।

তার বিরুদ্ধে নানা বিষয় নিয়েও সলঙ্গা থানা আওয়ামীলীগ ও ছাত্রলীগের ভিতর ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে । অনেকের দাবী ছাত্রলীগের কর্মীরা মনোনয়ন প্রত্যাশীদের মধ্য এগিয়ে থাকবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর এমন ঘোষনার কারনেই এমন প্রচারনায় নেমেছে সে ।

এ বিষয়ে সলঙ্গা থানা ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক সভাপতি মোখলেছুর রহমান তালুকদারসহ একাধিক নেতারা জানান , মিজানুর রহমান রাসেল তালুকদার আমার জানা মতে সলঙ্গা ডিগ্রী কলেজের কোনদিন সভাপতি ছিলো না।

সলঙ্গা থানা ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাতা সাবেক সাধারন সম্পাদক মাহমুদুল হক জানান, আমি ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই আছি , তিনি পূর্বে কোন পদে সলঙ্গা ডিগ্রী কলেজের ছিলেন কি না আমার জানা নেই তবে আমি সলঙ্গা ডিগ্রী কলেজে ১৯৯৭ সালে ছাত্র ছিলাম। ১৯৯৭-২০১২ সাল পর্যন্ত কলেজ ও থানা ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে জরিত ছিলাম তার নাম আমি শুনি নাই তিনি ছাত্রলীগের সভাপতি ছিল কি না।এমনকি ২০০১-০৮ সাল আওমীলীগের ক্লান্তি লগ্নেও আওয়ামীলীগের রাজনীতিতে তার দেখা মেলেনি।

সলঙ্গা থানা ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক রিপন হাসান জানান, পদে না থেকে ছাত্রলীগের সভাপতি পরিচয় দিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে থেকে দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার এমন খায়েসের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন । এবং তিনি আরো জানান, বিগত দিনে তার বাবা জামায়াতে ইসলাম থেকে ধুবিল ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন তুলেছিলেন বলেও অভিযোগ করেন। তার চাচা আবু সাইদ তালুকদার এক জন বিএনপি নেতা।

সলঙ্গা থানার ৩ নং ধুবিল ইউয়িনের দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মিজানুর রহমান রাসেলের সাথে মুঠোফোনে প্রতিবেদককে জানান আমি ১৯৯৫-৯৭ সাল পর্যন্ত ছাত্রলীগের দায়িত্ব পালন করি । তার কেবিনেটের সাধারন সম্পাদকের নাম জানতে চাইলে তিনি জানান ওই সময় সাধারণ সম্পাদক ছিলেন মাসুদ নামের একজন। তিনি বর্তমান সৌদি আরবে থাকেন ।

সলঙ্গা থানা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান লাভু জানান, মিজানুর রহমান রাসেল সলঙ্গা ডিগ্রী কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ছিল কি না আমার জানা নেই। দলীয় মনোনয়ন তুলেছে ধুবিল ইউনিয় থেকে ৪ জন। মাননীয় প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা যাকে মনোনয়ন দিবেন তার পক্ষেই আমার নেতা কর্মীদের নিয়ে কাজ করবো।

সলঙ্গা থানা আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ¦ রায়হান গফুর জানান, মাননীয় প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা যাকে দলীয় মনোনয়ন দিবেন আমরা তার পক্ষেই বিজয় করার লক্ষে কাজ করবো।

পুরাতন বার্তা…

শুক্র শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০৩১  
© All rights reserved | Jamunar Barta

Desing & Developed BY লিমন কবির