শিরোনামঃ
সরকার কারিগরি শিক্ষাকে যুগোপযোগী করে গড়ে তুলেছে ‘সরকার আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের মাধ্যমে মানুষের জীবনমান উন্নত করছে’ প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের ৪৭তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন করলো সুইডেন যুবলীগ শনিবার ২৩ নভেম্বর ওয়াশিংটনে ফোবানার মিট এন্ড গ্রীট বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের ৪৭ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন করলো বেলজিয়াম যুবলীগ আসন্ন যুবলীগের ৭ম কংগ্রেসে ক্লিন ইমেজে আলোচনায় মহিউদ্দিন আহমেদ মহি- নিজাম উদ্দিন হাইব্রিড আর গাঁজন সন্নাসী প্রসঙ্গে কিছু মনের কথা যেভাবে বিকৃত করা হচ্ছে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মোস্তফা কামালের বক্তব্য! অর্থমন্ত্রীর ভাইরাল বক্তব্যঃ যা বলেছিলেন এবং যা শুনছি

সলঙ্গায় মেয়েকে লুকিয়ে মিথ্যা অপহরণ মামলার অভিযোগ

নিবস্ব প্রতিবেদক:
সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় নিজের মেয়েকে লুকিয়ে রেখে আদালতে অপহরণ মামলা দায়ের করে প্রতিপক্ষকে ফাঁসানোর অভিযোগ উঠেছে তার বাবার বিরুদ্ধে। এদিকে মামলা আর পুলিশের ভয়ে আতংকিত কয়েকটি পরিবার মানবেতর জীবন যাপন করছে।

সলঙ্গা থানার ঘুড়কা ইউনিয়নের শ্রীরামের পাড়া গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটেছে। মঙ্গলবার সরেজমিনে স্থানীয়দের সাথে কথা বলে এসব তথ্য জানা যায়।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, গত ৫ সেপ্টেম্বর সিরাজগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালতে শ্রীরামের পাড়া গ্রামের মো. আনোয়ার হোসেন ফকিরের ছেলে নুরন্নবী ফকির বাদী হয়ে আব্দুল খালেকের ছেলে বায়েজিদ (১৮) সহ ৫ জনকে আসামী করে অপহরণ মামলা দায়ের করেছেন। মামলার অন্যান্য আসামীরা হলেন, মৃত বাজিতুল্লা শেখের ছেলে আলামিন, মৃত ভাষা শেখের ছেলে আফাল শেখ, আব্দুস সামাদের ছেলে আব্দুল মালেক ও আব্দুল খালেকের স্ত্রী লাকী খাতুন।

স্থানীয়রা জানান, নুরুন্নবী ফকিরের মেয়ে নুরুন্নাহার খাতুনের সাথে মোবাইল ফোনে প্রেমের সম্পর্ক হয় বায়েজিদের। বিষয়টি জানাজানি হলে শালিসী বৈঠকে উভয়ের বিয়ের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। তবে বিয়ের উভয়েই অপ্রাপ্ত বয়স্ক হওয়ায় সলঙ্গা থানা পুলিশ এসে বিয়ে বন্ধ করে দেয়। এর বেশ কিছুদিন পর ৫ সেপ্টেম্বর হঠাৎ করেই আদালতে অপহরণ মামলা দায়ের করেন নুরুন্নবী ফকির। মামলার বিবরণে তিনি উল্লেখ করেন, ৩ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় তার বাড়ির সামনে থেকে ভিকটিম নুরুন্নাহার খাতুনকে অপহরণ করে নিয়ে যায় বায়েজিদসহ ওই ৫ জন।

স্থানীয়রা আরও বলেন, সন্ধ্যার দিকে লোকজনের সামনে থেকে ভিকটিমকে কিভাবে অপহরণ করলো সেটা এলাকার কারও নজরেই আসেনি। এমনকি অপহরণের সময় কারও কোন চিৎকারও শোনা যায় নি। অনেকেই বলেন, অপহরণের কোন ঘটনাই ঘটেনি। বায়েজিদের সাথে নিজের মেয়েকে বিয়ে দিতে না পেরে মেয়েকে লুকিয়ে রেখে এই মামলাটি দায়ের করেছেন বলে অনেকেই দাবী করেন।

এসব বিষয়ে মামলার বাদী নুরুন্নবী ফকিরের বাবা আনোয়ার ফকির বলেন, দুজনের মধ্যে প্রেম-ভালবাসার সম্পর্ক থাকলেও বায়েজিদের বাবা-মা বিয়ে নিয়ে তালবাহানা করে। তারা কিছুতেই এই বিয়েতে রাজি ছিল না। এর মধ্যে ৩ সেপ্টেম্বর নুরুন্নাহারকে নিয়ে বায়েজিদ ও তার সহযোগীরা পালিয়ে গেছে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মামলা করতে গেলে সত্য-মিথ্যা দিয়ে সাজিয়েই মামলা করতে হয়।

গ্রামের মাতব্বর সিরাজুল ইসলাম মাস্টার বলেন, ওই দুই পরিবারের বিষয়টি সকলেই জানে। অপহরণের বিষয়টি সাজানো নাটক।

সলঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তাজুল হুদা বলেন, আদালতে মামলাটি দায়ের করা হয়েছে। আমরা তদন্ত করছি। যেখানেই ভিকটিম থাকুক তাকে উদ্ধার করাই আমাদের প্রথম কাজ। আমরা ভিকটিম উদ্ধারের চেষ্টা করছি।

Recent Comments

    © All rights reserved © 2018-19  Jamunarbarta.Com

    Desing & Developed BY লিমন কবির