শিরোনামঃ
সরকার কারিগরি শিক্ষাকে যুগোপযোগী করে গড়ে তুলেছে ‘সরকার আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের মাধ্যমে মানুষের জীবনমান উন্নত করছে’ প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের ৪৭তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন করলো সুইডেন যুবলীগ শনিবার ২৩ নভেম্বর ওয়াশিংটনে ফোবানার মিট এন্ড গ্রীট বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের ৪৭ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন করলো বেলজিয়াম যুবলীগ আসন্ন যুবলীগের ৭ম কংগ্রেসে ক্লিন ইমেজে আলোচনায় মহিউদ্দিন আহমেদ মহি- নিজাম উদ্দিন হাইব্রিড আর গাঁজন সন্নাসী প্রসঙ্গে কিছু মনের কথা যেভাবে বিকৃত করা হচ্ছে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মোস্তফা কামালের বক্তব্য! অর্থমন্ত্রীর ভাইরাল বক্তব্যঃ যা বলেছিলেন এবং যা শুনছি

মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কমনা,নিয়োগ বঞ্চিত ৩৫ উর্দ্ধো হাজার হাজার নিবন্ধনধারী শিক্ষক

লিপন সরকার :
মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কমনা করেছেন নিয়োগ বঞ্চিত ৩৫ উর্দ্ধো হাজার হাজার নিবন্ধনধারী শিক্ষক। শিক্ষক নিবন্ধন সনদ পাওয়া মানেই সে একজন নিয়োগ যোগ্য শিক্ষক, তাই নিবন্ধিত শিক্ষকদের নিয়োগ দেয়া এনটিআরসিএ এর কর্তব্য। কারণ ২০০৫ইং সালের আইন অনুযায়ী নিবন্ধিত নিয়োগ যোগ্য শিক্ষক হিসেবে প্রত্যয়ন ও সনদ প্রদান করেছেন এনটিআরসিএ। সনদে লেখা আছে  eligible to appointed any where in Bangladesh তারপরেও আদালতের রায় থাকা সত্বেও এনটিআরসিএ একটি নোটিশের মাধ্যমে বয়সের বেড়াজালে নিয়োগ বঞ্চিত করেছে ৩৫ উর্দ্ধো হাজার হাজার নিবন্ধনধারী শিক্ষকদেরকে। তাই বাধ্য হয়ে মহামান্য আদলতের দারস্থ হয় নিবন্ধনধারীদের নেতা এস এম আমজাদ হোসেন।
এস এম আমজাদ হোসেন বলেন, “এনটিআরসিএ” এর অস্বাভাবিক দুর্নীতি ও হ-য-ব-র-ল নিয়োগ পদ্ধতি রোধ করতে গত ২৭/১১/২০১৬ ইং তারিখে গঠিত হয়েছিল নিবন্ধিত শিক্ষকদের অধিকার আদায় কমিটি, যার আহ্বায়ক ও সমন্বয়কারী ছিলাম আমি এস এম আমজাদ হোসেন। নিবন্ধিত শিক্ষকমন্ডলীদের নিয়ে আমি এনটিআরসিএ এর জাল সনদ বিক্রি, হ-য-ব-র-ল নিয়োগ প্রক্রিয়া, উপজেলা কোটা, অবৈধ নিয়োগ বাণিজ্য প্রতিরোধ করতে এবং বৈধ সনদধারীদের নিয়োগ আদায় করতে এনটিআরসিএ এর হটকারীতার বিপক্ষে মহামান্য হাইকোর্টে একে একে ১৬৬টি রিট দাখিল হয়। গত ২০১৭ ইং সালের ১৪ ডিসেম্বর মহামান্য হাইকোর্ট দীর্ঘ শুনানির পর সাতটি নির্দেশনাসহ এক যুগান্তকারী রায় প্রধান করেন। উক্ত রায়ে উপজেলা কোটা বাতিলসহ সনদের মেয়াদ হয় সনদধারীদের নিয়োগের পূর্ব পর্যন্ত। কিন্তু এনটিআরসিএ এর চেয়ারম্যান এস এম আশফাক সাহেব উক্ত রায়কে উপেক্ষা করে সনদধারীদের উপর বয়সসীমা চাপিয়ে দেন এবং কোর্ট বন্ধ থাকা অবস্থায় ৪০০০০ নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে ২ ডিসেম্বর ২০১৮ ইং তারিখে, এ বিজ্ঞপ্তিতে আবেদন করতে না পেরে আবারো ৩৫ উর্দ্ধো নিয়োগ বঞ্চিত নিবন্ধিত শিক্ষক কেন্দ্রীয় ফোরামের নেতৃত্বে মহামান্য হাইকোর্টে রিট দাখিল হয়। মহামান্য হাইকোর্ট রিট পিটিশনারদের আবেদন দ্রুত গ্রহণ করে নিয়োগ দেবার নির্দেশ দিয়ে ডিরেকশন দেন।
ডিরেকশনের বিপক্ষে আপীল করে এনটিআরসিএ, আপীল বিভাগ ১৩৯/১৯ রিটটিকে নিষ্পত্তির জন্য হাইকোর্টে প্রেরণ করেন, আর ১৫৭৬৭/১৮ নং রিটটি মহামান্য সুপ্রীম কোর্টের প্রধান বিচারপতিসহ ছয়জন বিচারপতি মহোদয়গণ হাইকোর্টে ডিরেকশন বহালসহ নিয়োগের নির্দেশনা দিয়ে নিষ্পত্তি করেন।

আপর দিকে, মহামান্য হাইকোর্ট দীর্ঘ শুনানির পর গত ০২/০১/২০১৯ ইং তারিখে আমাদের জরুরি ভিত্তিতে আবেদন গ্রহণ করে চাকুরি দেবার জন্য ডিরেকশন দেন। তারপরেও এনটিআরসিএ এর চেয়ারম্যান ব্যক্তিগত আক্রশ থেকে আবেদন গ্রহণ না করে গোপনে চেম্বার কোর্ট থেকে ১ মাসের স্টে নেন। আমরা যখন অবগত হই তখন সাথে সাথে প্রধানবিচারপতির কোর্টে ফাইল করি এবং মহামান্য প্রধানবিচারপতিসহ ৬জন বিচারপতি স্টে ভ্যাকেট করেন, হাইকোর্টের রায় বহাল ও ন্যায়সঙ্গত বলেন এবং রায় বাস্তবায়নে করতে নির্দেশ দেন। তারপর ১৩৯/২০১৯ নং রিটটি ২৫ নং কোর্টে দীর্ঘ শুনানির পর গত ২২মে ২০১৯ ইং তারিখে ৩৫ উর্দ্ধোদের আবেদন গ্রহন করার নির্দেশ দেন কোর্টে। এ রায়েও আবারো এনটিআরসিএ এর চেয়ারম্যান হেরে যান। এনটিআরসিএ এর চেয়ারম্যান অনর্থক ও বেআইনিভাবে বয়স চাপিয়ে দিয়ে ৩৫ উর্দ্ধো হাজার হাজার নিবন্ধনধারী শিক্ষকদের জীবন নষ্ট করছেন এবং শিক্ষকতা পেশায় নিয়োগ না দিয়ে সমাজ গঠনের গুরুদায়িত্ব পালন থেকে আমাদেরকে বঞ্চিত করছেন।

এ বিষয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করে স্মারকলিপি প্রধান সহ মহামান্য রাষ্ট্রপতি মহোদয়কে বার বার এ বিষয়টি অবহিত করেছেন ৩৫ উর্দ্ধো নিবন্ধনজাতির পক্ষ থেকে এস এম আমজাদ হোসেন।

Recent Comments

    © All rights reserved © 2018-19  Jamunarbarta.Com

    Desing & Developed BY লিমন কবির