শিরোনামঃ
সরকার কারিগরি শিক্ষাকে যুগোপযোগী করে গড়ে তুলেছে ‘সরকার আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের মাধ্যমে মানুষের জীবনমান উন্নত করছে’ প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের ৪৭তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন করলো সুইডেন যুবলীগ শনিবার ২৩ নভেম্বর ওয়াশিংটনে ফোবানার মিট এন্ড গ্রীট বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের ৪৭ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন করলো বেলজিয়াম যুবলীগ আসন্ন যুবলীগের ৭ম কংগ্রেসে ক্লিন ইমেজে আলোচনায় মহিউদ্দিন আহমেদ মহি- নিজাম উদ্দিন হাইব্রিড আর গাঁজন সন্নাসী প্রসঙ্গে কিছু মনের কথা যেভাবে বিকৃত করা হচ্ছে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মোস্তফা কামালের বক্তব্য! অর্থমন্ত্রীর ভাইরাল বক্তব্যঃ যা বলেছিলেন এবং যা শুনছি

শেখ হাসিনার নির্দেশনার বাইরে যাননি, নিজেকে চেষ্টা করেছে সর্বোচ্চ পরিচ্ছন্ন রাখতে যুবলীগ নেতা পলাশ

নিজস্ব প্রতিবেদক:
ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের ক্লিন ইমেজ নেতা হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন মুহাম্মদ মাহবুবুর রহমান পলাশ। ১৯৮০ সালের ১লা মার্চ রাজধানীর তেজগাঁওয়ের পূর্ব-তেজতুরী বাজার এলাকায় জন্মগ্রহণ করেন মাহবুবুর রহমান পলাশ। রাজধানী ঢাকায় শৈশব কাটলেও বেড়ে ওঠেন মুন্সিগঞ্জে। ছোটবেলা থেকেই ভালবাসতেন আওয়ামী লীগকে। সেই ভালবাসা থেকেই ১৯৯১ সালের জাতীয় নির্বাচনের সময় নৌকা মার্কার পক্ষে জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু শ্লোগানে ভোটের ময়দানে নেমে পড়েন সে সময়কার ৮ম শ্রেণি পড়ুয়া পলাশ।

পলাশের রাজনীতিতে হাতেখড়ি তার বাবা মুহাম্মদ আঃওয়াদুদ গোড়াপীর কাছ থেকে, যিনি ‘৭১ এর স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় পাক-হানাদার বাহিনীর ক্যাম্প পোড়ানোর জন্য ব্যাপক নির্যাতনের শিকার হন এবং গ্রেফতার হন। নির্যাতনের ফলে পাকবাহিনী তার ডান হাত ভেঙ্গে দিয়ে কারাবন্দি করে তাকে। প্রায় ৭ মাস বন্দি থাকার পর ১৬ ডিসেম্বর মুক্তি পান।

রাজনৈতিক জীবনের শুরুতে ১৯৯২ সালে মধ্যপাড়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি, ১৯৯৪ সালে তেজগাঁও ৩৯নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগের কার্যকরী সদস্য, ১৯৯৫ সালে বিকেবি ডিগ্রি কলেজের অর্থ সম্পাদক, ১৯৯৭ সালে সিরাজদিখান থানার পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক, ১৯৯৯ সালে বিকেবি ডিগ্রি কলেজ ছাত্র-সংসদ নির্বাচনে ছাত্রলীগের জিএস হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০০১ সালে জামায়াত-বিএনপি শাসকদের অমানবিক নিষ্ঠুর নির্যাতনের হাত থেকে রক্ষা পায়নি পরিচ্ছন্ন এই ছাত্রনেতা। মুন্সিগঞ্জের মধ্যপাড়া বাজার এলাকায় অমানবিক নির্যাতনের মাধ্যমে মৃত্যু নিশ্চিত করে তাকে ফেলে যায় তারা। তবে নিশ্চিত মৃত্যুর হাত থেকে বেঁচে ফিরলেও পাঁচ টুকরা হয় মাথার খুলি, যেখানে ৩১টি সেলাই দেওয়া হয়। এলোপাথাড়ি নির্যাতনের ফলে শরীরের সব নার্ভ শুঁকিয়ে যায়, যার আমৃত্যু চিকিৎসা চালিয়ে যেতে হবে বলে জানিয়েছেন তাকে চিকিৎসাসেবা দেওয়া কলকাতার এক নিউরোলজিস্ট। তার রক্তের উপর ভর করে সিরাজদিখান উপজেলা ছাত্রলীগ আজ সুসংহত।

সেন্ট্রাল ল’ কলেজে শাহদাত শাওনের আহ্বায়ক কমিটিতে ছাত্রলীগের যুগ্ম-আহ্বায়ক ছিলেন তিনি। ছাত্রলীগের রাজনীতি অনেক প্রতিকূলতার মধ্যেও সুসংগঠিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন তিনি। কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের রিপন-রোটন প্যানেলে ছিলেন কার্যনির্বাহী সদস্য এবং মহানগর দক্ষিণ ছাত্রলীগের মিরাজ-পলাশ কমিটির সদস্য ও শুভ্র-কবীর কমিটির শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক, ২০০৭ সালে মহানগর দক্ষিণ ছাত্র লীগের অন্যতম সভাপতি প্রার্থী ছিলেন মুহাম্মাদ মাহবুবুর রহমান পলাশ। তবে বয়সের কারণে বাদ পড়তে হয় তাকে।

তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিতর্কিত উপদেষ্টা কে এম হাসান মাহমুদ ও নির্বাচন কমিশনার এম এ আজিজ হটাও আন্দোলনের সময় যখন রাজনীতির অনেক রথি-মহারথীরা গা ঢাকা দিয়েছেন, তখন পলাশকে সূধাসদন থেকে শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত সহকারি জাহাঙ্গীর আলম তাকে ডেকে নিয়ে বলেন, ‘দেশের এই দুঃসময়ে লড়াই-সংগ্রাম চালিয়ে যেতে হবে।’ সানন্দে তার এই নির্দেশ গ্রহণ করে বিপাকে পড়েন পলাশ। তখন সে তার মেধাবী বন্ধু জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের ক্যামিস্ট্রির ছাত্র খাইরুল, জিওগ্রাফির কাজী মহসীন মিঠু, বন্ধু মঈন, তমাল, বাটুল ও ছোট ভাই রিয়াজকে নিয়ে নেমে পড়েন রাজপথে। তখন তার চারজন বন্ধু গুরুতর আহত হন। তাদের প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলেও পরে পুলিশের ভয়ে নিয়ে যাওয়া হয় সেন্ট্রাল হাসপাতালে। এ সময় তাদের সঙ্গে নিয়মিত দেখা করতেন জাহাঙ্গীর আলম। এছাড়াও চিকিৎসার খরচ বাবদ এক লাখ টাকা প্রদান করেন। সুস্থ হওয়ার পর তাদেরকে নিয়ে সূধাসদনে যান, শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা করানোর জন্য। এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রেস সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ, এপিএস ডা. আওলাদ, এপিএস সাইফুজ্জামান শিখর। নেত্রী জাহাঙ্গীর আলমের মুখে পলাশের রাজপথের ভূমিকা শুনে তাকে বুকে জড়িয়ে নেন এবং বলেন, ‘পলাশ তোকে মনে রাখব, ভুলবো না তোকে।’

যেদিন মানবতার জননী, জননেত্রী শেখ হাসিনা বলেছিলেন, ‘পলাশ তোকে মনে রাখব। সেদিন থেকে নেত্রীর আদেশ নিষেধের বাইরে যাননি। সমাজের অটিজম শিশুদের সেবা করে যাচ্ছেন শেখ হাসিনা কন্যা সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের আদর্শ ও অনুপ্রেরণায়।’ ৭ বছর ধরে ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় অস্থায়ী শিশু পার্ক করে প্রতিবন্ধী শিশুদের বিনোদনের ব্যবস্থা করে প্রশংসিত হয়েছেন এবং পুরস্কৃত হয়েছেন ছয়বার, যা দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যম প্রচার করে।

শিক্ষা বিস্তারে রয়েছে তার গভীর আন্তরিকতা ও সংশ্লিষ্টতা ইতোমধ্যে তিনি গুলিস্তান কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের যুগ্ম সম্পাদক, মদিনাতুল উলুম হাফিজিয়া মাদ্রাসার সাধারণ সম্পাদক, বিএসএমইউ হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজের তিনবার অভিভাবক প্রতিনিধির দায়িত্ব পালন করেছেন। গত বছর তিনি আরেকজনের হাতে এই দায়িত্বভার তুলে দেন।

নেতা তিনিই, যিনি পদ নয় জনসেবাকেই প্রাধান্য দিয়ে থাকেন। যেখানে ছোট খাট দলীয় পদ পেয়ে অনেকে ধরাকে সরা জ্ঞান করে, দুর্নীতি, সন্ত্রাস চাঁদাবাজি ইত্যাদি সমাজ ও ধর্মবিরোধী কাজ করে সেখানে সহ-সভাপতির পদে থেকেও এসব কোন কিছুই তাকে স্পর্শ করতে পারে নি। তিনি হজ্ব করেছেন এবং মানবতার উপকারে নিজেকে নিবেদিত করেছেন। বিক্রমপুরে তার নিজ গ্রামে একটি কবরস্থান এবং তিনটি রাস্তা সম্পূর্ণ নিজ প্রচেষ্টায় করেছেন।

আওয়ামী লীগকে ভালবেসে বিভিন্ন সময় রাজপথের আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন মাহবুবর রহমান পলাশ। ১/১১ কিংবা কে এম হাসান মাহমুদ, এম এ আজিজ হটাও আন্দোলনে লগি-বৈঠা নিয়ে মিছিলে সক্রিয় ছিলেন তিনি। আন্দোলনের সময় পুলিশের কাঁদুনেগ্যাস ও এলোপাথাড়ি লাঠিচার্জ উপেক্ষা করে ছিলেন মিটিং-মিছিলের অগ্রভাগে।

কিছুদিন আগেই যা ছিল তার অযোগ্যতা, রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার শুদ্ধি অভিযানের ফলে এখন এটাই তার সবচেয়ে বড় যোগ্যতা হয়ে সামনে এসেছে। জানতে ইচ্ছে হয়না কি সেটা আর কিছু না কাগজের টাকা! ছিলোনা পলাশের সহকর্মীদের অনুপ্রবেশ কারীদের সুবিধাভোগিদের নগদ টাকার তাপ, বৈধ অবৈধ অস্ত্রের অযথা প্রদর্শনী। প্রাণের চেয়েও প্রিয় নেত্রীর বাসভবনে গুলিবর্ষনকারীর সঙ্গে যখন কোনো মিছিল-মিটিং করতে হয়, তখন সেই অনুপ্রবেশকারী অস্ত্রধারী বডিগার্ডদের জন্য যাওয়া যায় না মিছিলের অগ্রভাগে। এ কারণে যুব রাজনীতিতে মাহবুবুর রহমান পলাশ ছিলেন অনেকটা অসহায়। কিন্তু নিজেকে গুটিয়ে লিলেও আবার যখন দেখেন জাতির জনকের কন্যা এমন বিষয় মোকাবিলা করে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র রুখে দিয়ে সোনার বাংলাকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন সফলভাবে, তখন পলাশরা আর বসে থাকতে পারেন না। নিজের মতো সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যান সমান তালে।

বিষ্ময়ের বিষয়, এ পলাশ কি সেই পলাশ যে কিনা ১/১১ সময় ও এর আগে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে সর্বনিম্ন ৭ জনের মিছিলের তিনি ছিলেন একজন। মতিয়া চৌধুরী, সাগুফতা ইয়াসমিন এমিলি, মেহের আফরোজ চুমকি, তহুরা বেগম,শাহিন মনোয়ারা, ফরিদুননাহার লাইলিকে প্রায় প্রতিদিনই পুলিশের লাঠিচার্জ থেকে রক্ষা করতে গিয়ে নিজে আহত হয়েছেন পলাশ। তৎকালীন যে সকল মিডিয়া মতিয়া চৌধুরীর নাম আছে তার অধিকাংশটাতে আছে তার নাম।

২১শে আগস্টের গ্রেনেড হামলায় গুরুতর আহত হওয়া বর্তমান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের কারাবন্দি অবস্থায় যখন তাকে বঙ্গবন্ধু বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালের প্রিজন সেলে তার সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রক্ষা করে গেছেন পলাশ। পরবর্তীতে কারামুক্তির পর তিনি যখন উন্নত চিকিৎসার জন্য দিল্লির অ্যাপোলো হাসপাতালে ভর্তি হন, তখন একমাত্র পলাশই তার সঙ্গে প্রায় এক মাস অবস্থান করেন।

১/১১ এর সময়, যখন প্রায় সব রকম রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ করা হয় এবং পলাশের প্রাণ প্রিয় নেত্রীকে কারাবন্দি করা হয়, সে সময় জজ কোর্ট প্রাঙ্গণে প্রতিবাদ মিছিল করেন পলাশ। এখানে পুলিশের মারধরের শিকারও হন তিনি। এছাড়াও সংসদ ভবন এলাকার বিশেষ কারাগারে কারাবন্দি নেত্রীর সঙ্গে দেখা করতে যখন আইনজীবীরা ও অ্যাডভোকেট ডা. দীপু মনির (বর্তমান শিক্ষা মন্ত্রী) সঙ্গে দেখা হতো নিয়মিতভাবেই।

এ সময় সাইফুজ্জামান শিখরের নির্দেশে রাতের অন্ধকারে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে লিফলেট বিলি, দেয়ালে পোস্টার সাটানোর মতো কাজ এবং নীলক্ষেতের দোকান বাইরে থেকে বন্ধ করে প্রত্যেকটি গণমাধ্যমের কাছে ফ্যাক্সের মাধ্যমে বার্তা পৌঁছে দিতেন পলাশ নিজে উপস্থিত থেকে।

কে এম হাসান, এম এ আজিজ হটাও আনদোলনের সময় ২৩ বিবি এভিনিউতে মতিয়া চৌধুরীকে যখন পুলিশ আক্রমণ করতো, কিংবা এমিলি, চুমকিদের টানা-হেচরা করতো, তখন পলাশ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে তাদের লাঠিচার্জ নিজের উপর নিয়ে তাদের রক্ষা করে গেছেন। পুলিশ যখন পলাশের দলীয় কর্মীদের নির্বিচারে লাঠিচার্জ, গুলি, টিয়ারশেল নিক্ষেপ করতো, জীবন বাঁচাতে তখন পলাশ ও দলীয় নেতা কর্মীরা পার্টি অফিসের ভিতরে আশ্রয় নিতো। কিন্তু যখন পুলিশ বাহিনী কেচিগেটের তালা ভেঙ্গে ভিতরে প্রবেশের চেষ্টা করতো, সে সময় এলোপাথাড়ি টিয়ারশেল নিক্ষেপ করতো পুলিশ।

মুহাম্মদ মাহবুবুর রহমান পলাশ তখন তার উপস্থিত বুদ্ধি দিয়ে তোফায়েল আহমেদকে ফোন করে বলতেন, ‘লিডার বাঁচান আমাদের। পার্টিঅফিস ভেঙে পুলিশ ভিতরে ঢুকে আমদের মেরে ফেলবে।’ সর্বদাই তোফায়েল ভাই ১০ থেকে ১৫ মিনিটের মধ্যেই চলে আসতেন এবং পুলিশের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতেন। লগি-বৈঠার পল্টন এলাকায় পলাশকে দেখা যেত সবার আগে। পলাশ জানান, তোফায়েল ভাই এবং মরহুম মেয়ের হানিফ সাহেবকে সমীহ করতো তৎকালীন পুলিশ বাহিনী।

মাহবুবুর রহমান পলাশের দল তিনবার ক্ষমতায়। নিজেকে গুটিয়ে রাখার বিষয়ে পলাশ জানান, বিরোধী দলের সঙ্গে আন্দোলনের মধ্যে দিয়ে নিজেদের অধিকার আদায় করতে শিখেছি প্রিয় নেত্রীর কাছ থেকেই। কিন্তু পাওয়ার পাটির অপব্যবহার, অনুপ্রবেশকারীদের দলে নেওয়া, দুর্নীতি, টেন্ডারবাজী, দখলদারি নেত্রী শেখাননি আমাকে।

বর্তমানে পলাশ মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সহ-সভাপতি। এছাড়াও নিজের রাজনৈতিক জীবনে তিনি একজন পরিচ্ছন্ন ব্যাক্তি হিসেবেই সকলের কাছে পরিচিত। ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের তৃণমূল পর্যায়ে কথা বলে জানা যায়, এই অংশের নতুন নেতৃত্বে মাহবুবর রহমান পলাশকে সভাপতি হিসেবে দেখতে চান মাঠ পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা।

Recent Comments

    © All rights reserved © 2018-19  Jamunarbarta.Com

    Desing & Developed BY লিমন কবির